৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান)
বিজ্ঞপ্তি স্মারক নম্বর: ৩৭.০৫.০০০০.০০০.০১০.১৯.০০০১.২৬.১২৫
প্রকাশের তারিখ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ / ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিশেষ দ্রষ্টব্য: তদবির অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। মেধাক্রম ও পছন্দক্রম অনুসারে স্বয়ংক্রিয় (Automated) পদ্ধতিতে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে।
প্রতিষ্ঠান পরিচিতি (Organization Overview)
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (সংক্ষেপে এনটিআরসিএ বা NTRCA) হলো বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি ২০০৫ সালের এনটিআরসিএ আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান কাজ হলো দেশের প্রায় ৩৩,০০০ (তেত্রিশ হাজার) বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা। যোগ্য শিক্ষক নির্বাচনের সুবিধার্থে পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন, প্রত্যয়নপত্র ইস্যু এবং মেধাক্রম ও চাহিদার ভিত্তিতে চূড়ান্ত নিয়োগের সুপারিশ প্রদান করা এই কর্তৃপক্ষের মূল দায়িত্ব। দেশের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান (Govt Organizations) এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে এনটিআরসিএ-এর নিবন্ধন একটি অপরিহার্য যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সারসংক্ষেপ (Job Circular Summary)
যাঁরা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে সুন্দর ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এটি একটি অন্যতম সেরা সরকারি চাকরি (Govt Jobs) বা এমপিওভুক্ত চাকরির সুযোগ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সহকারী প্রধান পদে আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের নিকট থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে। মোট ১৩,৫৫৯টি শূন্য পদে এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যাঁরা নিয়মিত সরকারি চাকরির খবর (Govt Jobs in Bangladesh) খোঁজেন, তাঁদের জন্য এটি একটি দারুণ সুখবর।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ (Important Dates)
| কার্যক্রম (Activity) |
তারিখ ও সময় (Date & Time) |
| অনলাইনে আবেদন শুরু (Online Application Start) |
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. |
| আবেদন জমার শেষ তারিখ (Online Application Deadline) |
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. (রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত) |
| ফি জমাদানের শেষ সময় (Fee Payment Deadline) |
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. (রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত) |
পদের তালিকা (List of Job Posts)
আপনি যদি শিক্ষা ক্যাডারে বা অন্যান্য Government Service এর প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন, তবে নিচের পদগুলো আপনার জন্য দারুণ সুযোগ হতে পারে। নিম্নে সকল পদের বাংলা ও ইংরেজি নাম ক্রমানুসারে দেওয়া হলো:
| সিরিয়াল নং (Sl No.) |
পদের নাম (Post Name in Bangla) |
Post Name in English |
| ১ |
অধ্যক্ষ |
Principal |
| ২ |
উপাধ্যক্ষ |
Vice Principal |
| ৩ |
সুপার / সুপারিনটেনডেন্ট |
Superintendent |
| ৪ |
সহঃ সুপার / সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট |
Assistant Superintendent |
| ৫ |
প্রধান শিক্ষক |
Headmaster / Head Teacher |
| ৬ |
সহঃ প্রধান শিক্ষক / সহকারী প্রধান শিক্ষক |
Assistant Headmaster |
অধিদপ্তরভিত্তিক শূন্য পদের বিবরণ (Vacancy Details)
এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রকাশিত এই বিশাল নিয়োগে সর্বমোট ১৩,৫৫৯ টি শূন্য পদ রয়েছে। পদগুলোর অধিদপ্তরভিত্তিক বিন্যাস নিচে দেওয়া হলো (শূন্য পদের সংখ্যা কম/বেশি হতে পারে):
১. কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (মোট পদ: ১৫০ টি)
- অধ্যক্ষ (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা): ১১০ টি
- সুপার (ভোকেশনাল): ৪০ টি
২. মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর (মোট পদ: ৩,১৩১ টি)
- অধ্যক্ষ (কামিল): ৩৪ টি
- উপাধ্যক্ষ (কামিল): ৫৩ টি
- অধ্যক্ষ (ফাজিল): ২০২ টি
- উপাধ্যক্ষ (ফাজিল): ৩৪৩ টি
- অধ্যক্ষ (আলিম): ২১৯ টি
- উপাধ্যক্ষ (আলিম): ৩৭৭ টি
- সুপার (দাখিল): ৮৯৯ টি
- সহঃ সুপার (দাখিল): ১০০৪ টি
৩. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মোট পদ: ১০,২৭৮ টি)
- অধ্যক্ষ (স্নাতক/পাস কলেজ): ৫৮৪ টি
- উপাধ্যক্ষ (স্নাতক/পাস কলেজ): ৬২৭ টি
- অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ): ৫১১ টি
- অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়): ২৫৭ টি
- প্রধান শিক্ষক (মাধ্যমিক বিদ্যালয়): ৩৯২৩ টি
- সহঃ প্রধান শিক্ষক (মাধ্যমিক বিদ্যালয়): ৩৮৭২ টি
- প্রধান শিক্ষক (নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়): ৫০৪ টি
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (Educational Qualifications & Experience)
বিভিন্ন পদের জন্য সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসারে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা নিম্নে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো। (সমগ্র শিক্ষাজীবনে ০১ (এক) টির বেশি ৩য় বিভাগ/শ্রেণি অথবা সমমান জিপিএ/সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না):
- অধ্যক্ষ (স্নাতক পাস কলেজ - গ্রেড ৪): স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/সমমান অথবা ন্যূনতম ২য় বিভাগ বা শ্রেণি/সমমান। অভিজ্ঞতা: এমপিওভুক্ত হিসেবে ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ/উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদে ০৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অথবা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ পদে ৫ম গ্রেডে ০৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- উপাধ্যক্ষ (স্নাতক পাস কলেজ - গ্রেড ৫): স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ন্যূনতম ২য় বিভাগ/শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/সমমান। অভিজ্ঞতা: উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ/উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ/ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে এমপিওভুক্ত হিসেবে কর্মরত অথবা এমপিওভুক্ত হিসেবে সহকারী অধ্যাপক পদে ন্যূনতম ০৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা।
- অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় - গ্রেড ৫): স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/সমমান অথবা ০৪ বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি/সমমান। অভিজ্ঞতা: অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ পদে কর্মরত অথবা জ্যেষ্ঠ প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক পদে ন্যূনতম ০৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা। কর্মরত প্রধান শিক্ষক/সহকারী প্রধান শিক্ষককে অধ্যক্ষ পদে আবেদন করতে হলে ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ০২ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- প্রধান শিক্ষক (মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় - গ্রেড ৭ ও ৮): স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক/সমমান ও বিএড ডিগ্রি/সমমান। অভিজ্ঞতা: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক অথবা ইনডেক্সধারী সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ০৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা। সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে। নিম্নমাধ্যমিকের জন্য ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- সহকারী প্রধান শিক্ষক (মাধ্যমিক বিদ্যালয় - গ্রেড ৮): স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক/সমমান ও বিএড ডিগ্রি/সমমান। ইনডেক্সধারী শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্ত পদে সর্বমোট ১০ (দশ) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা।
- অধ্যক্ষ (কারিগরি/ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা - গ্রেড ৫): বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বা ৪ বছর মেয়াদী ২য় শ্রেণির অনার্স ডিগ্রি। অভিজ্ঞতা: কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্সট্রাক্টর/প্রভাষক পদে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা অথবা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে সুপারিনটেনডেন্ট পদে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা।
- সুপারিনটেনডেন্ট (ভোকেশনাল - গ্রেড ৭): বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং। অভিজ্ঞতা: শিল্প কারখানায় ২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতাসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা।
- মাদ্রাসা পর্যায়ের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ (কামিল, ফাজিল, আলিম - গ্রেড ৪, ৫ ও ৬): বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড হতে কামিল ডিগ্রি অথবা আরবি বিষয়সমূহে স্নাতক (সম্মান) সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। অভিজ্ঞতা: পদের ধরন অনুযায়ী মুহাদ্দিস/মুফাসসির/ফকিহ/আদিব/সহকারী অধ্যাপক পদে ০৩ বছরের অভিজ্ঞতা অথবা প্রভাষক পদে ১২-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা। এম.ফিল ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে ২ বছর এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে ৪ বছর অভিজ্ঞতা শিথিলযোগ্য।
- সুপার ও সহকারী সুপার (দাখিল মাদ্রাসা - গ্রেড ৭ ও ৮): কামিল ডিগ্রি অথবা আরবি বিষয়সমূহে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। অভিজ্ঞতা: সুপার পদের জন্য সহকারী সুপার হিসেবে ৩ বছর বা সহকারী মৌলভী হিসেবে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। সহকারী সুপারের জন্য সহকারী মৌলভী হিসেবে ০৮ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
নিয়োগ পরীক্ষার ধরন, নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস (Exam Structure & Syllabus)
প্রার্থীদের ৮০ (আশি) নম্বরের MCQ (Multiple Choice Questions) পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষার পূর্ণ সময় ০১ (এক) ঘণ্টা। প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। MCQ পরীক্ষায় পাস নম্বর হবে ন্যূনতম ৪০%।
MCQ পরীক্ষার বিষয়সমূহ (MCQ Syllabus Topics)
অধিদপ্তরভেদে সিলেবাস কিছুটা ভিন্ন। সাধারণ বিষয়গুলো হলো: বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি (ICT), মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা (আইন, বিধি/প্রবিধি, নীতিমালা), আর্থিক ব্যবস্থাপনা। কারিগরি ও মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ক্ষেত্রে যথাক্রমে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, আল কুরআন, হাদীস, ফিকাহ যুক্ত থাকবে। বিস্তারিত সিলেবাস Govt Job Categories থেকে বা এনটিআরসিএ ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।
মৌখিক পরীক্ষা (Viva Voce)
MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে পদের অনুপাতে ১:৩ হারে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। মৌখিক পরীক্ষা হবে ২০ নম্বরের। এর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ওপর ১২ নম্বর এবং জ্ঞান ও প্রকাশ ক্ষমতার ওপর ০৮ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। উভয় অংশে আলাদাভাবে ৪০% নম্বর পেতে হবে।
আবেদন পদ্ধতি ও পরীক্ষার ফি প্রদান (Application Process & Fee)
আগ্রহী চাকুরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে আবেদন করতে হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় মূল অনাপত্তিপত্র দাখিল করতে হবে। আবেদনকারীর অবশ্যই ইনডেক্স নম্বর থাকতে হবে।
- আবেদনকারীকে http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট পদের রেডিও বাটন সিলেক্ট করে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
- আবেদন ফরমে প্রার্থীর নিজ স্বাক্ষর (৩০০ × ৮০ পিক্সেল) এবং সদ্য তোলা রঙিন ছবি (৩০০ × ৩০০ পিক্সেল, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড) স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
- আবেদনপত্র Submit করার পর একটি User ID এবং Applicant's Copy পাওয়া যাবে। এটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে।
SMS এর মাধ্যমে ফি প্রদান (Payment via SMS)
যে কোনো টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ৩৫০/- (তিন শত পঞ্চাশ) টাকা ফি প্রদান করতে হবে আবেদন সাবমিট করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
- প্রথম SMS:
NTRCAH<space>User ID লিখে Send করুন 16222 নম্বরে। ফিরতি SMS এ একটি PIN পাওয়া যাবে।
- দ্বিতীয় SMS:
NTRCAH<space>Yes<space>PIN লিখে Send করুন 16222 নম্বরে।
মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন ও ডকুমেন্টস
আবেদনপত্রে প্রদত্ত সকল তথ্য সম্পূর্ণ সঠিক হতে হবে। কোনো মিথ্যা তথ্য, জাল সার্টিফিকেট বা পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রার্থিতা বাতিলসহ ফৌজদারী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় নিম্নে উল্লিখিত সকল সনদের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে:
- মৌখিক পরীক্ষা এবং MCQ পরীক্ষার প্রবেশপত্র।
- সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র ও মার্ক শিটের মূল কপি।
- অভিজ্ঞতার সনদপত্র, সকল যোগদানপত্র ও নিয়োগপত্রের মূল কপি।
- জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্রের মূল কপি।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন কবে শুরু এবং শেষ হবে?
আবেদন ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ থেকে শুরু হবে এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়া যাবে। ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
২. এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে মোট কতটি শূন্য পদ রয়েছে?
এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সর্বমোট ১৩,৫৫৯ টি শূন্য পদ রয়েছে। এর মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ১৫০ টি, মাদ্রাসা শিক্ষায় ৩,১৩১ টি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে ১০,২৭৮ টি পদ রয়েছে।
৩. আবেদন করার জন্য পরীক্ষার ফি কত এবং কীভাবে জমা দিতে হবে?
পরীক্ষার ফি ৩৫০/- (তিন শত পঞ্চাশ) টাকা। আবেদনপত্র দাখিল করার পর প্রাপ্ত User ID ব্যবহার করে টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল থেকে SMS এর মাধ্যমে এই ফি জমা দিতে হবে।
৪. এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষায় কি নেগেটিভ মার্কিং আছে?
হ্যাঁ, MCQ পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং রয়েছে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। পরীক্ষায় পাস নম্বর হলো মোট নম্বরের ৪০%।
৫. মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বণ্টন কীভাবে করা হয়েছে?
মৌখিক পরীক্ষা মোট ২০ নম্বরের হবে। এর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য ১২ নম্বর এবং প্রার্থীর জ্ঞান ও প্রকাশ ক্ষমতার জন্য ০৮ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। উভয় অংশে আলাদাভাবে ৪০% নম্বর পেয়ে পাস করতে হবে।